বাংলাদেশের কোটি মানুষের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে যাত্রা শুরু হয়েছিল y70c-র। ২০১৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমরা একটাই কথা মেনে চলি – গেমার প্রথম, সব সিদ্ধান্ত তার স্বার্থে।
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন গেমিং ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বিদেশি – বাংলায় কথা বলে না, বাংলাদেশের পেমেন্ট পদ্ধতি ঠিকমতো সাপোর্ট করে না। ঢাকার একদল তরুণ উদ্যোক্তা ভাবলেন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম দরকার। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম হলো y70c-র।
শুরুতে পথ মসৃণ ছিল না। গেমাররা ভরসা করতে চাইতেন না, কারণ আগে অনেকে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন অন্য প্ল্যাটফর্মে। কিন্তু y70c একটাই কাজ করে গেল – সময়মতো পেমেন্ট দাও, সৎ থাকো, আর গেমারের সমস্যা দ্রুত সমাধান করো। ধীরে ধীরে মানুষ বুঝতে পারলেন, এই প্ল্যাটফর্ম আলাদা।
"আমরা কোনো বড় বিদেশি কোম্পানির শাখা নই। y70c বাংলাদেশের মাটিতে তৈরি, বাংলাদেশের মানুষের জন্য।"
আজ y70c-তে পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত গেমার। চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা – দেশের ৬৪টি জেলা থেকেই মানুষ নিয়মিত y70c-তে খেলেন। বিকাশে ডিপোজিট করেন, জিতলে নগদে তোলেন। পুরো বিষয়টা এত সহজ যে গ্রামের মানুষও অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন।
y70c-র পরিষেবায় আছে স্পোর্টস বেটিং, ক্যাসিনো গেমস, লটারি, জ্যাকপট এবং আরও অনেক কিছু। কিন্তু শুধু গেম দিলেই হয় না – গেমারের নিরাপত্তা, তার টাকার সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল গেমিং – এই তিনটি বিষয়ে y70c কখনো আপোস করেনি।
y70c-র লক্ষ্য একটাই – বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে একটি নিরাপদ, সৎ এবং আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই একজন সাধারণ কৃষক থেকে শহরের চাকরিজীবী – সবাই যেন সমান সুবিধায় খেলতে পারেন।
পেমেন্টে কোনো জটিলতা নয়, ইন্টারফেসে কোনো ভাষার বাধা নয়, আর পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো দেরি নয় – এই তিনটি প্রতিশ্রুতিই y70c-র দৈনন্দিন লক্ষ্য।
আগামী পাঁচ বছরে y70c দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা গেমিং প্ল্যাটফর্ম হতে চায় – তবে সেই যাত্রার কেন্দ্রে সবসময় থাকবে বাংলাদেশ। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে আরও আনন্দময় করতে পারে।
y70c চায় দায়িত্বশীল গেমিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে – যেখানে গেম হবে বিনোদন, আসক্তি নয়। এই ভারসাম্যটাই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।
y70c-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে কিছু মূল নীতি কাজ করে। এই নীতিগুলো আমাদের পরিচয়।
ছয়টি কারণে y70c বাংলাদেশের গেমারদের প্রথম পছন্দ
y70c সম্পূর্ণ মোবাইল-অপ্টিমাইজড। পুরনো Android ফোনেও মসৃণভাবে চলে। ডিপোজিট থেকে গেম, উইথড্রয়াল পর্যন্ত সব এক অ্যাপে বা ব্রাউজারে।
y70c-র ইন্টারফেস, কাস্টমার সাপোর্ট এবং সব নোটিফিকেশন বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই – সবকিছু নিজের ভাষায়।
বিকাশ, নগদ, রকেটে সেকেন্ডে ডিপোজিট। জেতা টাকা ১৫-৩০ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো দেরি নেই।
y70c-তে প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অডিটর নিয়মিত সিস্টেম যাচাই করে।
স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং, লটারি, জ্যাকপট – সব এক জায়গায়। y70c-তে বিনোদনের অভাব নেই।
y70c নতুন গেমারদের স্বাগত বোনাস এবং নিয়মিতদের লয়্যালটি পয়েন্ট দেয়। যত বেশি খেলবেন, তত বেশি সুবিধা পাবেন।
একটি ছোট স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের লক্ষ্য মানুষের পছন্দের প্ল্যাটফর্ম – এই পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল উদ্দেশ্যমুখী।
ঢাকার একটি ছোট অফিসে কয়েকজন উদ্যোক্তার হাতে তৈরি হলো y70c। লক্ষ্য একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিশ্বস্ত গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
y70c বাংলাদেশের প্রথম গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট চালু করল। গেমারদের প্রতিক্রিয়া ছিল অভূতপূর্ব।
লাইভ ডিলার গেমস এবং স্পোর্টস বেটিং বিভাগ চালু হলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচের সময় y70c-র ট্রাফিক রেকর্ড ভাঙল।
y70c-র নিবন্ধিত গেমার ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। এই উপলক্ষে বিশেষ মেগা জ্যাকপট আয়োজন করা হয়েছিল।
প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট এবং অনলাইন লটারি চালু হলো। হাজার হাজার মানুষ নতুন বিভাগগুলোতে প্রথম দিনেই অংশ নিলেন।
আজ y70c-র পরিবারে ৫ লক্ষেরও বেশি গেমার। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় আমাদের উপস্থিতি। যাত্রা এখনো চলছে।
আমাদের দলের প্রতিটি সদস্য বাংলাদেশের গেমিং শিল্পকে ভালোবাসেন
প্রযুক্তি ও গেমিং শিল্পে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। y70c-র মূল দর্শনের রূপকার।
সাইবার নিরাপত্তা ও পেমেন্ট সিস্টেমে বিশেষজ্ঞ। y70c-র সুরক্ষার মূল কারিগর।
আন্তর্জাতিক গেম প্রোভাইডারদের সাথে সম্পর্ক পরিচালনা। ৩০০+ গেমের কিউরেটর।
৫০ জনের সাপোর্ট টিমের নেত্রী। গেমারদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি করা কঠিন কাজ ছিল। অনেক মানুষ আগে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন – টাকা জমা দিয়েছেন, কিন্তু জেতার পর তুলতে পারেননি। সেই বাস্তবতায় y70c একটাই পথ নিয়েছিল: কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাস অর্জন করো।
প্রথম মাস থেকেই y70c নিশ্চিত করেছিল যে প্রতিটি উইথড্রয়াল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হবে। কোনো অজুহাত নয়, কোনো দেরি নয়। যখন গেমাররা দেখলেন যে সত্যিই টাকা আসছে – মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল y70c-র নাম।
y70c-র ডিজাইনে একটা বিষয় সবসময় মাথায় রাখা হয়েছে – বাংলাদেশে সব মানুষের ইন্টারনেট স্পিড এক নয়, সব ফোন এক নয়। তাই y70c-র প্ল্যাটফর্ম হালকা রাখা হয়েছে, যাতে ২জি বা ৩জি নেটওয়ার্কেও মোটামুটি চলে।
সর্বনিম্ন ডিপোজিটের পরিমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে কম রাখা হয়েছে। কারণ y70c শুধু ধনীদের জন্য নয়। একজন রিকশাচালক বা কারখানার কর্মীও যেন তার বিনোদনের বাজেটে y70c-তে খেলতে পারেন – এটা আমাদের নীতি।
গেমিং আনন্দের জন্য, কষ্টের জন্য নয়। y70c এই বিশ্বাসে অটল। তাই আমরা গেমারদের ডিপোজিট লিমিট সেট করতে দিই, সেশন টাইম রিমাইন্ডার দিই এবং প্রয়োজনে সাময়িক বিরতির ব্যবস্থা রাখি। যে গেমার মনে করেন তার গেমিং নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, y70c-র সাপোর্ট টিম তাকে সহায়তা করে।
১৮ বছরের কম বয়সীদের y70c-তে অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। পরিচয় যাচাইয়ের সময় এটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হয়। শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
আমরা থেমে নেই। y70c-র পরবর্তী লক্ষ্য আরও বেশি গেম, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও উন্নত নিরাপত্তা। আগামী বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে প্রতারণামূলক কার্যক্রম শনাক্ত করার নতুন সিস্টেম চালু করা হবে। এছাড়া বাংলা ভয়েস সাপোর্টও যুক্ত হবে শীঘ্রই।
বাংলাদেশের গেমারদের আস্থাই y70c-র সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই আস্থা ধরে রাখতে আমরা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছি। যোগ দিন y70c পরিবারে – আনন্দ, নিরাপত্তা এবং বিশ্বস্ততার এক অনন্য অভিজ্ঞতার জন্য।